বাংলা ব্লগারে আপনাকে স্বাগতম, সবার আগে সঠিক তথ্য পেতে আমাদের সাথে থাকুন সব সময়। আমাদের বেশির ভাব তথ্য বিশ্লেষন করে তারপর উপস্থাপন করা হয়। শতভাগ তথ্য অনলাইন থেকে সংগ্রহ করে বিশ্লেষনের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়। আপনি চাইলে যে কোন তথ্য আমাদের কাছেও পাঠাতে পারেন।
তো চলুন আজকের বিষয়’টি নিয়ে পড়ে নেওয়া যাক….

ঘটনাটি ঘটে শিবগঞ্জের মোকামতলা ইউনিয়নের ভাগকোলা গ্রামে। নিহত মামি আলেয়া বেগম দিনমজুর সাইদুর রহমানের স্ত্রী। ভাগনে আপেল (২০) পার্শ্ববর্তী টেপাগাড়ী গ্রামের আজাহার আলীর ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড়ির উঠানে রক্তাক্ত অবস্থায় আলেয়ার দেহ পাওয়া যায়। এরপর ভাগনে আপেলকে খুজে পাওয়া না গেলে এক পর্যায়ে তাকে বাড়ির পাশে পরিত্যক্ত ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রের একটি কক্ষে রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা।

তারা আরও জানায়, আপেল কাঠমিস্ত্রির কাজ করে। সে মামার বাড়িতেই থাকে। এই সুযোগে মামার দ্বিতীয় স্ত্রীর আলেয়ার সাথে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করে।

তিনমাস আগে সুযোগ বুঝে আপেল তার মামি আলেয়ার ঘরে প্রবেশ করে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের চেষ্টা করে। ঘটনাটি আলেয়া তার স্বামীকে জানালে এ নিয়ে গ্রামে সালিশ বৈঠক হয়। ওই সময়ে এ বিষয়ে আপেলকে সতর্ক করা হয়। কিন্তু নিষেধাজ্ঞার পরও কিছুদিন ধরে আপেল তার মামি আলেয়াকে অনৈতিক কাজের প্রস্তাব দিচ্ছিল।

প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে-আপেল কাঠের কাজে ব্যবহৃত ধারালো বাটাল দিয়ে তার মামি আলেয়ার ঘাড়ে আঘাত করে হত্যা করে। এরপর ওই বাটাল দিয়ে নিজের পেটে আঘাত করে আত্মহত্যা করে।

News Reporter

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *