বাংলা ব্লগারে আপনাকে স্বাগতম, সবার আগে সঠিক তথ্য পেতে আমাদের সাথে থাকুন সব সময়। আমাদের বেশির ভাব তথ্য বিশ্লেষন করে তারপর উপস্থাপন করা হয়। শতভাগ তথ্য অনলাইন থেকে সংগ্রহ করে বিশ্লেষনের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়। আপনি চাইলে যে কোন তথ্য আমাদের কাছেও পাঠাতে পারেন।
তো চলুন আজকের বিষয়’টি নিয়ে পড়ে নেওয়া যাক….

কে মারা যাবেন- পৃথিবীতে জন্ম নেয়ার পর কে কখন মারা যাবেন এ খবর কেউ জানেন না। কখন যে দেহ থেকে প্রাণটা চলে যাবে এটা একমাত্র সৃষ্টিকর্তাই জানেন। এজন্যই মৃত্যু এত রহস্যময়। তবে এক তরুণীর দাবি, তিনি মৃত্যুর গন্ধ পান! তবে সব সময়ে নয়, কোনো বিশেষ মুহূর্তে। আর তখনই তিনি বুঝতে পারেন কাছের কোনো ব্যক্তির মৃত্যু আসন্ন।

বিদেশী সংবাদ সংস্থা মিরর-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, অস্ট্রেলিয়ার ওই তরুণীর নাম আরি কালা। পেশায় তিনি একজন মনোবিদ। তার দাবি, ১২ বছর বয়সে প্রথম নিজের ভেতরে থাকা অতীন্দ্রিয় এই শক্তির সন্ধান পান তিনি।

তরুণীর নাম আর কালা, অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস-এর বাসিন্দা

এক আত্মীয়ের মৃত্যুশয্যায় তিনি আচমকাই আশ্চর্য এক গন্ধ পান। কিন্তু তিনি লক্ষ করেন, আর কেউ ওই গন্ধ পাচ্ছে না। কিছু দিন পরেই ওই আত্মীয় মারা যান। এর পর ওই তরুণী লক্ষ করেন, কোনো বিশেষ ব্যক্তির কাছে গেলে তিনি ওই গন্ধ পাচ্ছেন। এবং সেই ব্যক্তি কয়েকদিনের মধ্যেই মারা যাচ্ছেন! নিজের এই ষষ্ঠেন্দ্রিয়র অলৌকিক ক্ষমতা তখনই বুঝতে পেরে যান আরি।

আরি অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসের এর বাসিন্দা বলেন যে, “হাই স্কুলে ভর্তির আগের বছর আমি এক কাকার বাড়িতে যায়, কাকা মরণাপন্ন অবস্থাতেই ছিলেন। তিনি মারা যাওয়ার আগের রাতে আমি তার ঘরে এক অদ্ভুত পচা রোগগ্রস্ত গন্ধ পাই। আমি ভেবেছিলাম সেটি হয়তো স্বাভাবিক কোনো গন্ধ, কিন্তু আশ্চর্য্যজনকভাবে সেই গন্ধ অন্য কেউ উপলব্ধি করেনি। তারপর থেকে আমি অনেক বৃদ্ধ রোগগ্রস্ত মানুষের ঘর থেকে এই গন্ধ পেয়েছি যারা মারা গেছেন অল্প সময়েই।”

এর পর এক দশকেরও বেশি সময় কেটে যায়। এই আশ্চর্য ক্ষমতায় বহু মৃত্যুকে সম্যক অনুধাবন করেছেন আরি। মৃত্যুর আগাম সন্ধান পাওয়ার আশ্চর্য ক্ষমতা নিয়ে বহু ছবি বা সাহিত্যকর্ম হয়েছে। কিন্তু আরি কোনো সিনেমা বা উপন্যাসের চরিত্র নন।

আরি কালার দাবি, তার এই অভিজ্ঞতা একেবারেই বাস্তব। আর সেই অভিজ্ঞতা নিয়েই তিনি বাস করেন এক রহস্যের অন্তরমহলে। নিজের অসহায়ত্বও খুব ভালো করে জানেন আরি। তিনি জেনে গেছেন, মৃত্যুর আগাম আভাস পেলেও তাকে আটকানোর কোনো ক্ষমতা তার নেই।

২৪ বছর বয়সী ওই সুন্দরী তরুণী মনোবিদের কাজ করার আগে একটি সংস্থায় সেক্রেটারির কাজ করতেন। কিন্তু অচিরেই বুঝতে পারেন এই কাজ তার জন্য নয়। তার পরই তিনি পেশা পরিবর্তন করেন। নিজের মনের ওই রহস্যজনক আচরণকে সামনে রেখেই অন্যের মনের সমস্যার সমাধান করেন তিনি।

আরি জানেন, আগে থেকে বুঝতে পারা যাক আর না পারা যাক, সবার কাছেই মৃত্যু এক অবশ্যম্ভাবী গন্তব্য। নিয়তিকে অতিক্রম করার ক্ষমতা যে কারও নেই, তা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন তিনি।

আরি এও বলেন যে তার এই অদ্ভুত ক্ষমতা প্রকাশ্যে আনার পর তাকে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন বিদ্রুপের শিকার হতে হয়। তিনি অবশ্য সেসব নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে ট্রলগুলিকে হেসে উড়িয়ে দেন।

News Reporter

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *